Islamic Song

[Islamic Song][pvid]

Islamic Story

[Islamic Story][pvid]


আমার রবের দয়ার কথা
আমার রবের দয়ার কথা গাছ গাছালি জানে
চাঁদ সুরুজ ওই আগের মত নিয়ম কানুন মানে
ক্লান্তি নিয়েও নায়ের মাঝি কোন সুখে দার টানে
ওই রবেরই গুণ গাহিছি আমরা গানে-গানে ॥

পৌষ মাঘে শীত আসে যে হিমেল শাড়ি পরে
কার ইশারায় পাতা গজায় পুরোন পাতা ঝরে
বর্ষাকালে ঝিলের ডোবায় হাজার কোলা ব্যাঙ
কোন সুখেতে গেয়ে উঠে ঘ্যাঙর ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ ॥

কৃষক শ্রমিক মুটে মজুর খাটে যে দিন ভরে
ভেসে আসা আযান শুনে মাঠেই নামায ধরে
ক্লান্ত চাষির গন্ড বেয়ে গড়িয়ে পড়ে ঘাম
তবুও মুখে ফুটে উঠে প্রভুর গুণগান ॥

কথা ও সুর: হাসিনুর রব মানু

আমার রবের দয়ার কথা গাছ গাছালি জানে


আমার রবের দয়ার কথা
আমার রবের দয়ার কথা গাছ গাছালি জানে
চাঁদ সুরুজ ওই আগের মত নিয়ম কানুন মানে
ক্লান্তি নিয়েও নায়ের মাঝি কোন সুখে দার টানে
ওই রবেরই গুণ গাহিছি আমরা গানে-গানে ॥

পৌষ মাঘে শীত আসে যে হিমেল শাড়ি পরে
কার ইশারায় পাতা গজায় পুরোন পাতা ঝরে
বর্ষাকালে ঝিলের ডোবায় হাজার কোলা ব্যাঙ
কোন সুখেতে গেয়ে উঠে ঘ্যাঙর ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ ॥

কৃষক শ্রমিক মুটে মজুর খাটে যে দিন ভরে
ভেসে আসা আযান শুনে মাঠেই নামায ধরে
ক্লান্ত চাষির গন্ড বেয়ে গড়িয়ে পড়ে ঘাম
তবুও মুখে ফুটে উঠে প্রভুর গুণগান ॥

কথা ও সুর: হাসিনুর রব মানু
Song: Hothaat
Singer : Balam
Tune: Balam
Lyrics: Tahsan
Flute : Jalal Ahmed
Music Arrangement: Apeiruss

Music Video Directed by Vaskar & Parag
Starring : Balam & Suzena
Guest appearance : Faabian, Towfique Ahmed, Adit Rahman, Protic Hasan, Pritom Hasan, Tasnim Anika, Rakib Hasan Rahul

Styling & Supervision: Adit Rahman
Concept: Chisti Iqbal
Executive Producer: Jawad Nabil
DOP: Nazmul Hasan
Art Director: Jakarta Hasan Munna
Assistant Director: Farid Sohel
Edit & Color: Ashraful Alom
Post: Gravity Studios
Makeup: Rajon ZX
Cover Design: Sabuj Ahmed

Record Label: The Industry
Album: The Industry Volume 1

An Ole Entertainment Production
Online Partner: Laika Network Bangladesh


হৃদয় মাঝে মালা গাথি ছন্দে আর গানে

হৃদয় মাঝে মালা গাথি ছন্দে আর গানে
তুমি আমার ফুটন্ত ফুল মনের বাগানে।
তুমি যে প্রিয় নবী, তুমি যে ধ্যানের ছবি
তোমায় নিয়ে ভাবি আমি প্রতিটি ক্ষনে।

প্রেম বিরহের ঢেউ জাগে আজ ব্যথার সায়রে
সর্বহারার কাব্য লিখি জড়দাক্ষরে
নাহিগো সুখের রবি, যা কিছু আধার সবি
শ্রাবণ মেঘের মতো কাঁদি তোমার স্মরণে।

হৃদয় মাঝে মালা গাঁথি ছন্দে আর গানে
তুমি আমার ফুটন্ত ফুল মনের বাগানে।
তোমার আশায় যায় কেটে যায় দিবস রজনী
তোমায় নিয়ে এই হৃদয়ে স্বপ্ন যে বুনি।

দাওনা দেখা তুমি, হয়েছি ব্যকুল আমি
তোমার প্রেমে জ্বলি সদা দুঃখের দহনে।
হৃদয় মাঝে মালা গাথি ছন্দে আর গানে
তুমি আমার ফুটন্ত ফুল মনের বাগানে।

কথা ও সুর: তৌহিদ জামিল

হৃদয় মাঝে মালা গাথি ছন্দে আর গানে || ইসলামিক গান || শিল্পী আফিয়া জান্নাত

Song: Hothaat
Singer : Balam
Tune: Balam
Lyrics: Tahsan
Flute : Jalal Ahmed
Music Arrangement: Apeiruss

Music Video Directed by Vaskar & Parag
Starring : Balam & Suzena
Guest appearance : Faabian, Towfique Ahmed, Adit Rahman, Protic Hasan, Pritom Hasan, Tasnim Anika, Rakib Hasan Rahul

Styling & Supervision: Adit Rahman
Concept: Chisti Iqbal
Executive Producer: Jawad Nabil
DOP: Nazmul Hasan
Art Director: Jakarta Hasan Munna
Assistant Director: Farid Sohel
Edit & Color: Ashraful Alom
Post: Gravity Studios
Makeup: Rajon ZX
Cover Design: Sabuj Ahmed

Record Label: The Industry
Album: The Industry Volume 1

An Ole Entertainment Production
Online Partner: Laika Network Bangladesh


হৃদয় মাঝে মালা গাথি ছন্দে আর গানে

হৃদয় মাঝে মালা গাথি ছন্দে আর গানে
তুমি আমার ফুটন্ত ফুল মনের বাগানে।
তুমি যে প্রিয় নবী, তুমি যে ধ্যানের ছবি
তোমায় নিয়ে ভাবি আমি প্রতিটি ক্ষনে।

প্রেম বিরহের ঢেউ জাগে আজ ব্যথার সায়রে
সর্বহারার কাব্য লিখি জড়দাক্ষরে
নাহিগো সুখের রবি, যা কিছু আধার সবি
শ্রাবণ মেঘের মতো কাঁদি তোমার স্মরণে।

হৃদয় মাঝে মালা গাঁথি ছন্দে আর গানে
তুমি আমার ফুটন্ত ফুল মনের বাগানে।
তোমার আশায় যায় কেটে যায় দিবস রজনী
তোমায় নিয়ে এই হৃদয়ে স্বপ্ন যে বুনি।

দাওনা দেখা তুমি, হয়েছি ব্যকুল আমি
তোমার প্রেমে জ্বলি সদা দুঃখের দহনে।
হৃদয় মাঝে মালা গাথি ছন্দে আর গানে
তুমি আমার ফুটন্ত ফুল মনের বাগানে।

কথা ও সুর: তৌহিদ জামিল
বিয়ের অনুষ্ঠানে একজন অতিথি তার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে দেখতে পেলেন। বহুদিন পর ছোটবেলার শিক্ষককে দেখে তাঁর কাছে ছুটে গিয়ে বললেন, "স্যার, আপনি কি আমায় চিনতে পারছেন ?"
শিক্ষক বললেন, ''না বাবা, দুঃখিত, আমি তোমায় ঠিক চিনতে পারছি না।"

ছেলেটা বলল, "স্যার,আমি আপনার ছাত্র, আপনার মনে থাকার কথা, থ্রি-তে পড়ার সময় আমাদের এক সহপাঠীর দামি একটা কলম চুরি হয়েছিল। সেই সহপাঠী কাঁদতে কাঁদতে আপনাকে নালিশ করল। আর আপনি সব ছাত্রকে চোখ বন্ধ করে দেয়ালের দিকে মুখ করে দাঁড়াতে বললেন। তারপর একজন একজন করে চেক করতে শুরু করলেন । আমি ভয়ে কাঁপতে শুরু করি। কারণ, কলমটি আমার পকেটেই ছিল!
 
আমি যে কলমটি চুরি করেছি তা জানাজানি হওয়ার পর আমি যে লজ্জার মুখোমুখি হব, আমার শিক্ষকরা আমার সম্পর্কে যে ধারণা পাবেন, স্কুলে সবাই আমাকে যে চোর বলে ডাকবে আর আমার মা-বাবার কী প্রতিক্রিয়া হবে- এসব ভাবতে ভাবতে আমার মরে যেতে ইচ্ছে করছিল।
 

এরপর যখন আমার পালা এল আমি অনুভব করলাম আমার পকেট থেকে আপনি কলমটি বের করছেন। কিন্তু অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম আপনি কিছু বলছেন না বরং বাকি শিক্ষার্থীদের পকেট চেক করে চলছেন!

পরে যখন অনুসন্ধান শেষ হল, আপনি আমাদের চোখ খুলতে বললেন আর সবাইকে বসতে বললেন। ভয়ে আমি বসতে পারছিলাম না। কারণ, আমার মনে হচ্ছিল একটু পরেই আপনি আমাকে ডাকবেন। না, আপনি তা না করে কলমটি সবাইকে দেখালেন আর কিছু না বলেই মালিককে তা ফেরত দিয়ে দিলেন!

কলমটি যে আমি চুরি করেছি আপনি তা কখনও কাউকে বলেন নি। আর আমাকেও বলেন নি কিছু! স্যার , আপনি সেদিন আমার মর্যাদা রক্ষা করেছিলেন। এই ঘটনার পর আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম জীবনে আর কখনও অন্যের জিনিস ছুঁয়েও দেখব না। "

"স্যার, ঘটনাটা কি মনে পড়ছে এখন? আপনার এটা ভোলার কথা না!"

স্যার জবাব দিলেন, "হ্যাঁ! ঘটনাটা খুব ভালভাবেই মনে আছে আমার। তবে কার পকেটে কলমটি পাওয়া গিয়েছিল তা আমিও কখনো জানতে পারি নি। কারণ, যখন আমি সবার পকেট চেক করছিলাম তখন আমি ইচ্ছে করেই তোমাদের মতো নিজের চোখও বন্ধ করে রেখেছিলাম।"

আদর্শ শিক্ষকগণ এমন যতনেই আত্মমর্যাদা বোধসম্পন্ন জাতি গঠনে নিরন্তর কাজ করে চলেন।

ছবিঃ সংগৃহিত।

কলম চুরি ও একজন মহান শিক্ষক || আফিয়া জান্নাত

বিয়ের অনুষ্ঠানে একজন অতিথি তার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে দেখতে পেলেন। বহুদিন পর ছোটবেলার শিক্ষককে দেখে তাঁর কাছে ছুটে গিয়ে বললেন, "স্যার, আপনি কি আমায় চিনতে পারছেন ?"
শিক্ষক বললেন, ''না বাবা, দুঃখিত, আমি তোমায় ঠিক চিনতে পারছি না।"

ছেলেটা বলল, "স্যার,আমি আপনার ছাত্র, আপনার মনে থাকার কথা, থ্রি-তে পড়ার সময় আমাদের এক সহপাঠীর দামি একটা কলম চুরি হয়েছিল। সেই সহপাঠী কাঁদতে কাঁদতে আপনাকে নালিশ করল। আর আপনি সব ছাত্রকে চোখ বন্ধ করে দেয়ালের দিকে মুখ করে দাঁড়াতে বললেন। তারপর একজন একজন করে চেক করতে শুরু করলেন । আমি ভয়ে কাঁপতে শুরু করি। কারণ, কলমটি আমার পকেটেই ছিল!
 
আমি যে কলমটি চুরি করেছি তা জানাজানি হওয়ার পর আমি যে লজ্জার মুখোমুখি হব, আমার শিক্ষকরা আমার সম্পর্কে যে ধারণা পাবেন, স্কুলে সবাই আমাকে যে চোর বলে ডাকবে আর আমার মা-বাবার কী প্রতিক্রিয়া হবে- এসব ভাবতে ভাবতে আমার মরে যেতে ইচ্ছে করছিল।
 

এরপর যখন আমার পালা এল আমি অনুভব করলাম আমার পকেট থেকে আপনি কলমটি বের করছেন। কিন্তু অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম আপনি কিছু বলছেন না বরং বাকি শিক্ষার্থীদের পকেট চেক করে চলছেন!

পরে যখন অনুসন্ধান শেষ হল, আপনি আমাদের চোখ খুলতে বললেন আর সবাইকে বসতে বললেন। ভয়ে আমি বসতে পারছিলাম না। কারণ, আমার মনে হচ্ছিল একটু পরেই আপনি আমাকে ডাকবেন। না, আপনি তা না করে কলমটি সবাইকে দেখালেন আর কিছু না বলেই মালিককে তা ফেরত দিয়ে দিলেন!

কলমটি যে আমি চুরি করেছি আপনি তা কখনও কাউকে বলেন নি। আর আমাকেও বলেন নি কিছু! স্যার , আপনি সেদিন আমার মর্যাদা রক্ষা করেছিলেন। এই ঘটনার পর আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম জীবনে আর কখনও অন্যের জিনিস ছুঁয়েও দেখব না। "

"স্যার, ঘটনাটা কি মনে পড়ছে এখন? আপনার এটা ভোলার কথা না!"

স্যার জবাব দিলেন, "হ্যাঁ! ঘটনাটা খুব ভালভাবেই মনে আছে আমার। তবে কার পকেটে কলমটি পাওয়া গিয়েছিল তা আমিও কখনো জানতে পারি নি। কারণ, যখন আমি সবার পকেট চেক করছিলাম তখন আমি ইচ্ছে করেই তোমাদের মতো নিজের চোখও বন্ধ করে রেখেছিলাম।"

আদর্শ শিক্ষকগণ এমন যতনেই আত্মমর্যাদা বোধসম্পন্ন জাতি গঠনে নিরন্তর কাজ করে চলেন।

ছবিঃ সংগৃহিত।

কত জানাজার পড়েছি নামায
দিয়েছি কত দাফন।
কোথাও যেন আছে আমারও
তৈরী সাদা কাফন।

কত জানাজার পড়েছি নামায
আমার তরী বাধা আছে
কোন সে কেয়া ঘাটে।
কোন মাসজিদে এলান হবে
শোয়াবে শেষ খাটে।

কখন কোথায় করবে দাফন
আমাকে স্বজন।
জানাজার পড়েছি নামায
দিয়েছি কত দাফন।
কত জানাজার পড়েছি নামায
দিয়েছি কত দাফন।।

কোন বাতাসে কোথায় যেন
দুলছে বাঁশের ঝাঁড়,
কোন সে মাটি কোন খানে
ডাকে রে বার বার।
কোথায় যেন বর যাত্রি
আছেরে চার জন।

কত জানাজার পড়েছি নামায
দিয়েছি কত দাফন।
কত জানাজার পড়েছি নামায
দিয়েছি কত দাফন।।

কত জানাজার পড়েছি নামায || ইসলামিক গান || শিল্পীঃ আফিয়া জান্নাত

কত জানাজার পড়েছি নামায
দিয়েছি কত দাফন।
কোথাও যেন আছে আমারও
তৈরী সাদা কাফন।

কত জানাজার পড়েছি নামায
আমার তরী বাধা আছে
কোন সে কেয়া ঘাটে।
কোন মাসজিদে এলান হবে
শোয়াবে শেষ খাটে।

কখন কোথায় করবে দাফন
আমাকে স্বজন।
জানাজার পড়েছি নামায
দিয়েছি কত দাফন।
কত জানাজার পড়েছি নামায
দিয়েছি কত দাফন।।

কোন বাতাসে কোথায় যেন
দুলছে বাঁশের ঝাঁড়,
কোন সে মাটি কোন খানে
ডাকে রে বার বার।
কোথায় যেন বর যাত্রি
আছেরে চার জন।

কত জানাজার পড়েছি নামায
দিয়েছি কত দাফন।
কত জানাজার পড়েছি নামায
দিয়েছি কত দাফন।।

আব্বু...

আব্বু আমি তোমার দুই নয়নের মনি
আম্মু তুমি আমার দুই নয়নের মনি।

তুমি আমার আদর স্নেহ
ভালবাসার খনি।

আব্বু
ও ও ও  আম্মু তুমি আমার দুই নয়নের মনি।
তুমি আমার আদর স্নেহ
ভালবাসার খনি।

ও ও ও  আব্বু আমি তোমার দুই নয়নের মনি
আব্বু আমি তোমার দুই নয়নের মনি

আম্মু তুমি পুর্নিমারি মিষ্টি চাদের হাসি
আম্মু তুমি ফুলবাগানের খুশবু রাশি রাশি।
আব্বু তুমি পুরনিমারি মিষ্টি চাদের হাসি
আব্বু তুমি ফুলবাগানের খুশবু রাশি রাশি।

আব্বু তুমি আল্লা তালার সেরা উপহার
আম্মু তুমি আল্লা তালার সেরা উপহার।

ও ও ও  আম্মু তুমি আমার দুই নয়নের মনি।
তুমি আমার আদর স্নেহ
ভালবাসার খনি।
আব্বু আমি তোমার দুই নয়নের মনি
তুমি আমার আদর স্নেহ
ভালবাসার খনি।
আব্বু
ও ও ও  আম্মু তুমি আমার দুই নয়নের মনি।

আব্বু আমি তোমার দুই নয়নের মনি || ইসলামিক গান || শিল্পীঃ আফিয়া জান্নাত

আব্বু...

আব্বু আমি তোমার দুই নয়নের মনি
আম্মু তুমি আমার দুই নয়নের মনি।

তুমি আমার আদর স্নেহ
ভালবাসার খনি।

আব্বু
ও ও ও  আম্মু তুমি আমার দুই নয়নের মনি।
তুমি আমার আদর স্নেহ
ভালবাসার খনি।

ও ও ও  আব্বু আমি তোমার দুই নয়নের মনি
আব্বু আমি তোমার দুই নয়নের মনি

আম্মু তুমি পুর্নিমারি মিষ্টি চাদের হাসি
আম্মু তুমি ফুলবাগানের খুশবু রাশি রাশি।
আব্বু তুমি পুরনিমারি মিষ্টি চাদের হাসি
আব্বু তুমি ফুলবাগানের খুশবু রাশি রাশি।

আব্বু তুমি আল্লা তালার সেরা উপহার
আম্মু তুমি আল্লা তালার সেরা উপহার।

ও ও ও  আম্মু তুমি আমার দুই নয়নের মনি।
তুমি আমার আদর স্নেহ
ভালবাসার খনি।
আব্বু আমি তোমার দুই নয়নের মনি
তুমি আমার আদর স্নেহ
ভালবাসার খনি।
আব্বু
ও ও ও  আম্মু তুমি আমার দুই নয়নের মনি।

নিঝুম রাতে দূর আকাশের দিকে তাকিয়ে
ছোট্ট ছেলে মাকে বলে স্রষ্টা আমার কে?
মা বলল ধৈর্য ধর
যখন তুমি হবে বড়
জানতে পারবে তোমার আমার স্রষ্টা সে যে কে।।



সেই ছেলেটির মন যে তবু ভরেনা
মায়ের কোন মানাই মনে ধরেনা।
আম খেয়ে সে ভাবতে থাকে
মিষ্টি ঢেলে দিয়েছে কে?
কার নামে বাসন্তি কোকিল কুহু ডাকে?

দিঘীর পাড়ে বসে ছেলে ভাবছে
শান্ত জলের কাছে প্রশ্ন রাখছে।
এমন সময় মামা এসে
বলল ভাগ্নে ভাবছ কি সে।
প্রশ্ন কর জবাব পাবে আশ্বাস রেখে।।

মামার কাছে ভাগ্নে সবই বলল
মামাও তার জবাব তুলে ধরল।
সব সৃষ্টির স্রষ্টা যিনি
আল্লাহ তালা মহান তিনি।
দুজন মিলে প্রভু প্রেমের
প্রীতি আকে।।

নিঝুম রাতে দূর আকাশের দিকে || ইসলামিক গান || শিল্পীঃ আফিয়া জান্নাত

নিঝুম রাতে দূর আকাশের দিকে তাকিয়ে
ছোট্ট ছেলে মাকে বলে স্রষ্টা আমার কে?
মা বলল ধৈর্য ধর
যখন তুমি হবে বড়
জানতে পারবে তোমার আমার স্রষ্টা সে যে কে।।



সেই ছেলেটির মন যে তবু ভরেনা
মায়ের কোন মানাই মনে ধরেনা।
আম খেয়ে সে ভাবতে থাকে
মিষ্টি ঢেলে দিয়েছে কে?
কার নামে বাসন্তি কোকিল কুহু ডাকে?

দিঘীর পাড়ে বসে ছেলে ভাবছে
শান্ত জলের কাছে প্রশ্ন রাখছে।
এমন সময় মামা এসে
বলল ভাগ্নে ভাবছ কি সে।
প্রশ্ন কর জবাব পাবে আশ্বাস রেখে।।

মামার কাছে ভাগ্নে সবই বলল
মামাও তার জবাব তুলে ধরল।
সব সৃষ্টির স্রষ্টা যিনি
আল্লাহ তালা মহান তিনি।
দুজন মিলে প্রভু প্রেমের
প্রীতি আকে।।

এই মিছে দুনিয়ার মায়া জালে পড়িয়া,
মরনেরি কথা গেছ ভুলিয়া।
যেদিন আজরাইল এসে মারবে থাবা,
রক্ষা পাবে না জান, নিবে কাড়িয়া।

গড়েছো দালান কোঠা বাড়ি গাড়ি,
যেতে হবে কবরেতে সবই ছাড়ি।
সাড়ে তিন হাত সেই মাটির ঘরে,
থাকবে সেথায় তুমি একা পড়িয়া।

হও না যতই তুমি বীর পালোয়ান,
সবকিছু ভেঙে চুরে হবে খান খান।
মালাকুল মওত নিবে জান কাড়িয়া
মাটির দেহ মাটিতে রবে পড়িয়া।

ঘুরিয়া টাকার পিছে কাটালে জীবন,
যুগালে সদা স্ত্রী-সন্তানের মন।
এ ধরাতে তুমি আর থাকবে কতদিন,
এক দিন যেতে হবে সবই ছাড়িয়া।


এই মিছে দুনিয়ার মায়া জালে পড়িয়া || ইসলামিক গান || শিল্পীঃ আফিয়া জান্নাত

এই মিছে দুনিয়ার মায়া জালে পড়িয়া,
মরনেরি কথা গেছ ভুলিয়া।
যেদিন আজরাইল এসে মারবে থাবা,
রক্ষা পাবে না জান, নিবে কাড়িয়া।

গড়েছো দালান কোঠা বাড়ি গাড়ি,
যেতে হবে কবরেতে সবই ছাড়ি।
সাড়ে তিন হাত সেই মাটির ঘরে,
থাকবে সেথায় তুমি একা পড়িয়া।

হও না যতই তুমি বীর পালোয়ান,
সবকিছু ভেঙে চুরে হবে খান খান।
মালাকুল মওত নিবে জান কাড়িয়া
মাটির দেহ মাটিতে রবে পড়িয়া।

ঘুরিয়া টাকার পিছে কাটালে জীবন,
যুগালে সদা স্ত্রী-সন্তানের মন।
এ ধরাতে তুমি আর থাকবে কতদিন,
এক দিন যেতে হবে সবই ছাড়িয়া।


 
আল্লাহ ওগো আল্লাহ, ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
আল্লাহ ওগো আল্লাহ, ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।

যতদিন এই জীবন বীনা বাজিবে, সুপথে চালাও, মাফ করে দাও।
সুপথে চালাও, মাফ করে দাও।

আল্লাহ ওগো আল্লাহ, ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
যতদিন এই জীবন বীনা বাজিবে, সুপথে চালাও, মাফ করে দাও।
সুপথে চালাও, মাফ করে দাও।
 
তোমাকে না দেখিয়া নবিকে না চিনিয়া ঈমান এনেছি তবুও।
তোমাকে না দেখিয়া নবিকে না চিনিয়া ঈমান এনেছি তবুও....।
এই অসিলায় রহম ও দয়া বিলাও, ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
 
ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
 
আল্লাহ ওগো আল্লাহ, ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
 
কাওকে স্মরি না, কাওকে ডরিনা তোমাতে শির দেই তবুও।
কাওকে স্মরি না, কাওকে ডরিনা তোমাতে শির দেই তবুও....।
এই অসিলায় বিপদে পার করে নাও....।
 
ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।

আল্লাহ ওগো আল্লাহ, ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।

কারও কাছে হারি না, কারও অনুসারি না, তব দ্বারে হাত পাতি তবুও।
কারও কাছে হারি না, কারও অনুসারি না, তব দ্বারে হাত পাতি তবুও...।
এই উসিলায় চির সুখি জান্নাত দাও।
 
ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
 
আল্লাহ ওগো আল্লাহ, ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
 
স্বার্থকে ত্যাগিয়া বুকে মোরে আগিয়া মা বাবা গেল গোরে চলিয়া।
স্বার্থকে ত্যাগিয়া বুকে মোরে আগিয়া মা বাবা গেল গোরে চলিয়া...।
এই অসিলায় মা বাবাকে জান্নাতে নাও...।
 
ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।

আল্লাহ ওগো আল্লাহ, ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।

যতদিন এই জীবন বীনা বাজিবে, সুপথে চালাও, মাফ করে দাও।
সুপথে চালাও, মাফ করে দাও।
 
আল্লাহ ওগো আল্লাহ, ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও। 
ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।

আল্লাহ ওগো আল্লাহ, ক্ষমা করে দাও || ইসলামিক গান || শিল্পীঃ আফিয়া জান্নাত

 
আল্লাহ ওগো আল্লাহ, ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
আল্লাহ ওগো আল্লাহ, ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।

যতদিন এই জীবন বীনা বাজিবে, সুপথে চালাও, মাফ করে দাও।
সুপথে চালাও, মাফ করে দাও।

আল্লাহ ওগো আল্লাহ, ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
যতদিন এই জীবন বীনা বাজিবে, সুপথে চালাও, মাফ করে দাও।
সুপথে চালাও, মাফ করে দাও।
 
তোমাকে না দেখিয়া নবিকে না চিনিয়া ঈমান এনেছি তবুও।
তোমাকে না দেখিয়া নবিকে না চিনিয়া ঈমান এনেছি তবুও....।
এই অসিলায় রহম ও দয়া বিলাও, ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
 
ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
 
আল্লাহ ওগো আল্লাহ, ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
 
কাওকে স্মরি না, কাওকে ডরিনা তোমাতে শির দেই তবুও।
কাওকে স্মরি না, কাওকে ডরিনা তোমাতে শির দেই তবুও....।
এই অসিলায় বিপদে পার করে নাও....।
 
ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।

আল্লাহ ওগো আল্লাহ, ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।

কারও কাছে হারি না, কারও অনুসারি না, তব দ্বারে হাত পাতি তবুও।
কারও কাছে হারি না, কারও অনুসারি না, তব দ্বারে হাত পাতি তবুও...।
এই উসিলায় চির সুখি জান্নাত দাও।
 
ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
 
আল্লাহ ওগো আল্লাহ, ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
 
স্বার্থকে ত্যাগিয়া বুকে মোরে আগিয়া মা বাবা গেল গোরে চলিয়া।
স্বার্থকে ত্যাগিয়া বুকে মোরে আগিয়া মা বাবা গেল গোরে চলিয়া...।
এই অসিলায় মা বাবাকে জান্নাতে নাও...।
 
ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।

আল্লাহ ওগো আল্লাহ, ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।

যতদিন এই জীবন বীনা বাজিবে, সুপথে চালাও, মাফ করে দাও।
সুপথে চালাও, মাফ করে দাও।
 
আল্লাহ ওগো আল্লাহ, ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও। 
ক্ষমা করে দাও, মাফ করে দাও।
 
হঠাৎ আজরাইল পাঠাইয়া তোরে নিতে পারে তুলিয়া
কিসের আশায় রইলিরে মন মালিক রে ভুলিয়া?
ও তুই মালিক রে ভুলিয়া, মালিক রে ভুলিয়া। (২ বার)

ধনসম্পদ পাইয়া হাতে করলি জমিদারি
ক্ষমতার অহংকারে করলি বাহাদুরি
ও তুই করলি বাহাদুরি

ধনসম্পদ পাইয়া হাতে করলি জমিদারি
ক্ষমতার অহংকারে করলি বাহাদুরি
ও তুই করলি বাহাদুরি

ও তোর রেসমি পোশাক সোনার আংটি
ও তোর রেসমি পোশাক সোনার আংটি
নেবে স্বজনরা খুলিয়া

কিসের আশায় রইলিরে মন মালিক রে ভুলিয়া
ও তুই মালিক রে ভুলিয়া মালিক রে ভুলিয়া
ও তুই মালিক রে ভুলিয়া তুই মালিক রে ভুলিয়া

ক্ষনে ক্ষনে কবর ডাকে, আয় রে আমার বাড়ি
মাটির ওপর থাকবি রে তুই দিন কয়েক চারি
ও তুই দিন দুয়েক চারি

ক্ষনে ক্ষনে কবর ডাকে, আয় রে আমার বাড়ি
মাটির ওপর থাকবিরে তুই দিন কয়েক চারি
ও তুই দিন দুয়েক চারি

আসতে তোর হবে একদিন সাদা কাফন পরিয়া
কিসের আশায় রইলি রে মন মালিক রে ভুলিয়া?
ও তুই মালিক রে ভুলিয়া

হঠাৎ আজরাইল পাঠাইয়া তোরে নিতে পারে তুলিয়া
কিসের আশায় রইলিরে মন মালিক রে ভুলিয়া?
ও তুই মালিক রে ভুলিয়া? (৩ বার)

হঠাৎ আজরাইল পাঠাইয়া তোরে || ইসলামিক গান || শিল্পী-আফিয়া জান্নাত

 
হঠাৎ আজরাইল পাঠাইয়া তোরে নিতে পারে তুলিয়া
কিসের আশায় রইলিরে মন মালিক রে ভুলিয়া?
ও তুই মালিক রে ভুলিয়া, মালিক রে ভুলিয়া। (২ বার)

ধনসম্পদ পাইয়া হাতে করলি জমিদারি
ক্ষমতার অহংকারে করলি বাহাদুরি
ও তুই করলি বাহাদুরি

ধনসম্পদ পাইয়া হাতে করলি জমিদারি
ক্ষমতার অহংকারে করলি বাহাদুরি
ও তুই করলি বাহাদুরি

ও তোর রেসমি পোশাক সোনার আংটি
ও তোর রেসমি পোশাক সোনার আংটি
নেবে স্বজনরা খুলিয়া

কিসের আশায় রইলিরে মন মালিক রে ভুলিয়া
ও তুই মালিক রে ভুলিয়া মালিক রে ভুলিয়া
ও তুই মালিক রে ভুলিয়া তুই মালিক রে ভুলিয়া

ক্ষনে ক্ষনে কবর ডাকে, আয় রে আমার বাড়ি
মাটির ওপর থাকবি রে তুই দিন কয়েক চারি
ও তুই দিন দুয়েক চারি

ক্ষনে ক্ষনে কবর ডাকে, আয় রে আমার বাড়ি
মাটির ওপর থাকবিরে তুই দিন কয়েক চারি
ও তুই দিন দুয়েক চারি

আসতে তোর হবে একদিন সাদা কাফন পরিয়া
কিসের আশায় রইলি রে মন মালিক রে ভুলিয়া?
ও তুই মালিক রে ভুলিয়া

হঠাৎ আজরাইল পাঠাইয়া তোরে নিতে পারে তুলিয়া
কিসের আশায় রইলিরে মন মালিক রে ভুলিয়া?
ও তুই মালিক রে ভুলিয়া? (৩ বার)
 
চোখেরি পলকে তুমি হতে পারো লাশ
চিরতরে বন্ধ হবে তোমারই নিশ্বাস।

হবে এলান তোমারই নাম মসজিদের মাইকে,
বাড়িওয়ালা নাইরে বাড়ি নাইরে দুনিয়াতে।।

তোমার ভয়ে থাকতো মানুষ, ছিলো বাহাদুরী,
ভাবোনি হাওয়ায় ওড়া তুমি যে রঙিন ঘুড়ি।
সুতোয় টান দিলে মালিক, পারবে না থাকিতে।। 
 
চোখেরি পলকে তুমি হতে পারো লাশ
চিরতরে বন্ধ হবে তোমারই নিশ্বাস।

বাড়ি গাড়ি মিল ফ্যাক্টরি টাকার পাহাড়,
বিলাসিতায় কেটেছে জনম কত অহংকার।
দামী কাপড় ছেড়ে হবে, সাদা কাফন পরিতে।। 
 
চোখেরি পলকে তুমি হতে পারো লাশ
চিরতরে বন্ধ হবে তোমারই নিশ্বাস।

যাদের সাথে চলতে তুমি থাকতে দিবানিশি,
জানাযায় শরিক হবে তোমার প্রতিবেশী।
স্বজনেরা নিয়ে যাবে, তোমাকে পালকিতে।

চোখেরি পলকে তুমি হতে পারো লাশ || ইসলামিক গান || শিল্পী আফিয়া জান্নাত

 
চোখেরি পলকে তুমি হতে পারো লাশ
চিরতরে বন্ধ হবে তোমারই নিশ্বাস।

হবে এলান তোমারই নাম মসজিদের মাইকে,
বাড়িওয়ালা নাইরে বাড়ি নাইরে দুনিয়াতে।।

তোমার ভয়ে থাকতো মানুষ, ছিলো বাহাদুরী,
ভাবোনি হাওয়ায় ওড়া তুমি যে রঙিন ঘুড়ি।
সুতোয় টান দিলে মালিক, পারবে না থাকিতে।। 
 
চোখেরি পলকে তুমি হতে পারো লাশ
চিরতরে বন্ধ হবে তোমারই নিশ্বাস।

বাড়ি গাড়ি মিল ফ্যাক্টরি টাকার পাহাড়,
বিলাসিতায় কেটেছে জনম কত অহংকার।
দামী কাপড় ছেড়ে হবে, সাদা কাফন পরিতে।। 
 
চোখেরি পলকে তুমি হতে পারো লাশ
চিরতরে বন্ধ হবে তোমারই নিশ্বাস।

যাদের সাথে চলতে তুমি থাকতে দিবানিশি,
জানাযায় শরিক হবে তোমার প্রতিবেশী।
স্বজনেরা নিয়ে যাবে, তোমাকে পালকিতে।
আধার রাতের চাঁদ যে তুমি তুমি ভোরের আলো,
তোমায় যখন দেখি আমার মন হয়ে যায় ভাল।
ওগো মা…......... ওগো মা…......... ওগো মা….........

 
 
জাদু মাখা মুখটি তোমার দেখলে ভরে মন।
আদর করে ডাক যখন ওরে খোকা শোন।
বলো যদি ছাড়বো সবি তোমায় ছাড়বো না
আর কারো কোলেতে মাগো এ প্রান জোরায় না।
ওগো মা…......... ওগো মা…......... ওগো মা….........

তোমার মত এত আদর কেউতো করে না
সবার থেকেও প্রিয়ো তুমি, তুমি আমার মা।
চলে যদি যাও কখনো, রেখে যেও না,
মন বলে মা তোমায় ছাড়া আমি বাঁচবো না।
ওগো মা…......... ওগো মা…......... ওগো মা….........

কথা ও সুর: সাইম আল হাসান

আধার রাতের চাঁদ যে তুমি তুমি ভোরের আলো || ইসলামিক গান || শিল্পীঃ আফিয়া জান্নাত

আধার রাতের চাঁদ যে তুমি তুমি ভোরের আলো,
তোমায় যখন দেখি আমার মন হয়ে যায় ভাল।
ওগো মা…......... ওগো মা…......... ওগো মা….........

 
 
জাদু মাখা মুখটি তোমার দেখলে ভরে মন।
আদর করে ডাক যখন ওরে খোকা শোন।
বলো যদি ছাড়বো সবি তোমায় ছাড়বো না
আর কারো কোলেতে মাগো এ প্রান জোরায় না।
ওগো মা…......... ওগো মা…......... ওগো মা….........

তোমার মত এত আদর কেউতো করে না
সবার থেকেও প্রিয়ো তুমি, তুমি আমার মা।
চলে যদি যাও কখনো, রেখে যেও না,
মন বলে মা তোমায় ছাড়া আমি বাঁচবো না।
ওগো মা…......... ওগো মা…......... ওগো মা….........

কথা ও সুর: সাইম আল হাসান
কাফন আমার আপন কবর আমার ঘাঁটি।
ঐ কবরে যেতে হবে থাকবে না কেউ সাথী।।

থাকতে হবে নিরালায়
একা একা বাঁশ-তলায়,
চতুর্দিকে রবে শুধু মাটি।।

সাড়ে তিন হাত মাটির ঘর
কারো আপন কারো পর,
কারো আবার ফুলেরই বাগান
কারো বা হবে জাহান্নাম।

কঠিন হবে সেদিন তোমার না থাকিলে নেকি।
ঐ কবরে যেতে হবে থাকবে না কেউ সাথী।।

মুনকার নাকির আসিবে
সওয়াল জওয়াব করিবে,
না পারিলে সওয়ালের জওয়াব
শুরু হবে কবরের আজাব।

আমলানামা সেদিন তোমার হবে ঘরের বাতি।
ঐ কবরে যেতে হবে থাকবে না কেউ সাথী।।

কাফন আমার আপন কবর আমার ঘাঁটি || ইসলামিক গান || শিল্পীঃ আফিয়া জান্নাত

কাফন আমার আপন কবর আমার ঘাঁটি।
ঐ কবরে যেতে হবে থাকবে না কেউ সাথী।।

থাকতে হবে নিরালায়
একা একা বাঁশ-তলায়,
চতুর্দিকে রবে শুধু মাটি।।

সাড়ে তিন হাত মাটির ঘর
কারো আপন কারো পর,
কারো আবার ফুলেরই বাগান
কারো বা হবে জাহান্নাম।

কঠিন হবে সেদিন তোমার না থাকিলে নেকি।
ঐ কবরে যেতে হবে থাকবে না কেউ সাথী।।

মুনকার নাকির আসিবে
সওয়াল জওয়াব করিবে,
না পারিলে সওয়ালের জওয়াব
শুরু হবে কবরের আজাব।

আমলানামা সেদিন তোমার হবে ঘরের বাতি।
ঐ কবরে যেতে হবে থাকবে না কেউ সাথী।।
এই সুন্দর ফুল সুন্দর ফল মিঠা নদীর পানি
খোদা তোমার মেহেরবানী।
শস্যশ্যামল ফসল ভরা মাটির ডালিখানি
খোদা তোমার মেহেরবানী।।

তুমি কতই দিলে রতন
ভাই বেরাদর পুত্র স্বজন,
ক্ষুধা পেলেই অন্ন জোগাও
মানি চাইনা মানি।।

খোদা! তোমার তোমার হুকুম তরক করি আমি অতি প্রায়,
তবু আলো দিয়ে বাতাস দিয়ে বাঁচাও এ বান্দায়।
শ্রেষ্ঠ নবী দিলে মোরে
তরিয়ে নিতে রোজ- হাশরে,
পথ না ভুলি তাই ত দিলে
পাক কোরানের বাণী।।
খোদা, তোমার মেহেরবানী।।

এই সুন্দর ফুল সুন্দর ফল মিঠা নদীর পানি || ইসলামি গান || শিল্পীঃ আফিয়া জান্নাত

এই সুন্দর ফুল সুন্দর ফল মিঠা নদীর পানি
খোদা তোমার মেহেরবানী।
শস্যশ্যামল ফসল ভরা মাটির ডালিখানি
খোদা তোমার মেহেরবানী।।

তুমি কতই দিলে রতন
ভাই বেরাদর পুত্র স্বজন,
ক্ষুধা পেলেই অন্ন জোগাও
মানি চাইনা মানি।।

খোদা! তোমার তোমার হুকুম তরক করি আমি অতি প্রায়,
তবু আলো দিয়ে বাতাস দিয়ে বাঁচাও এ বান্দায়।
শ্রেষ্ঠ নবী দিলে মোরে
তরিয়ে নিতে রোজ- হাশরে,
পথ না ভুলি তাই ত দিলে
পাক কোরানের বাণী।।
খোদা, তোমার মেহেরবানী।।
Song : Baba Mane Hazar Bikel – বাবা মানে হাজার বিকেল
Singer : Aafia Jannat
Lyric & Tune : Tasnim Sadia
 ================================================
বাবা মানে হাজার বিকেল, আমার ছেলে বেলা
বাবা মানে রোজ সকালে, পুতুল পুতুল খেলা (২ বার)

বাবা মানে কাটছে ভালো, যাচ্ছে ভালো দিন
বাবা মানে জমিয়ে রাখা আমার অনেক ঋণ। (২ বার)

আমি যতই এলোমেলো ভুলের অভিধান
বাবা তুমি সময় মত সহজ সমাধান,
জীবনের টানাপোড়েন কিছুই না জানি
আমার গানের স্বরলিপি তোমার মাঝেই খুঁজি।

বাবার কাছে হইনা কালো আমি কোনদিনই
বাবা ডাকে আদর করে আমায় সোনামণি। (২ বার)

বাবা মানে অনেক চাওয়া, বাবা মানে অনেক পাওয়া
বাবা মানে ছোট্ট শূন্যতা, বাবা মানে অনেক পূর্ণতা।

ছেলেবেলা হাতছানি দেয় আজও সকাল সাঝে,
আমি বড় হইনি আজও বাবা তোমার কাছে।
চিরদিন থাকবে বলো তুমি আমার সাথে,
মা বলে ডাকবে বল সারা জীবন ধরে।

বেলা শেষে তুমি আজও অনেক অভিমানি
কেউ না জানুক আমি জানি তোমার সোনামণি (২ বার)

বাবা মানে হাজার বিকেল, আমার ছেলে বেলা
বাবা মানে রোজ সকালে, পুতুল পুতুল খেলা।

বাবা মানে কাটছে ভালো, যাচ্ছে ভালো দিন
বাবা মানে জমিয়ে রাখা, আমার অনেক ঋণ।

বাবা মানে হাজার বিকেল, আমার ছেলে বেলা
বাবা মানে রোজ সকালে, পুতুল পুতুল খেলা।
বাবা মানে রোজ সকালে, পুতুল পুতুল খেলা।

বাবা মানে হাজার বিকেল, আমার ছেলে বেলা ||ইসলামি গান || শিল্পীঃ আফিয়া জান্নাত

Song : Baba Mane Hazar Bikel – বাবা মানে হাজার বিকেল
Singer : Aafia Jannat
Lyric & Tune : Tasnim Sadia
 ================================================
বাবা মানে হাজার বিকেল, আমার ছেলে বেলা
বাবা মানে রোজ সকালে, পুতুল পুতুল খেলা (২ বার)

বাবা মানে কাটছে ভালো, যাচ্ছে ভালো দিন
বাবা মানে জমিয়ে রাখা আমার অনেক ঋণ। (২ বার)

আমি যতই এলোমেলো ভুলের অভিধান
বাবা তুমি সময় মত সহজ সমাধান,
জীবনের টানাপোড়েন কিছুই না জানি
আমার গানের স্বরলিপি তোমার মাঝেই খুঁজি।

বাবার কাছে হইনা কালো আমি কোনদিনই
বাবা ডাকে আদর করে আমায় সোনামণি। (২ বার)

বাবা মানে অনেক চাওয়া, বাবা মানে অনেক পাওয়া
বাবা মানে ছোট্ট শূন্যতা, বাবা মানে অনেক পূর্ণতা।

ছেলেবেলা হাতছানি দেয় আজও সকাল সাঝে,
আমি বড় হইনি আজও বাবা তোমার কাছে।
চিরদিন থাকবে বলো তুমি আমার সাথে,
মা বলে ডাকবে বল সারা জীবন ধরে।

বেলা শেষে তুমি আজও অনেক অভিমানি
কেউ না জানুক আমি জানি তোমার সোনামণি (২ বার)

বাবা মানে হাজার বিকেল, আমার ছেলে বেলা
বাবা মানে রোজ সকালে, পুতুল পুতুল খেলা।

বাবা মানে কাটছে ভালো, যাচ্ছে ভালো দিন
বাবা মানে জমিয়ে রাখা, আমার অনেক ঋণ।

বাবা মানে হাজার বিকেল, আমার ছেলে বেলা
বাবা মানে রোজ সকালে, পুতুল পুতুল খেলা।
বাবা মানে রোজ সকালে, পুতুল পুতুল খেলা।
মোল্লা দেখলেই চুলকানি
মোল্লা ছাড়া হয় কি কোরবানী?
—জাগ্রত কবি মুহিব খান


বছর জুড়ে হিংস্র থাবা
মোল্লা দেখলেই চুলকানি,
হাতে ধরে পায়ে পরে
যখন আসে কুরবানি।


হুজুর দেখলেই ভেটকি হেসে
চেটকি মারে যে গাঁধা,
খেটকি মারে বিয়ের বেলায়
মোল্লা কোথায় আয় দাদা।



যারা বলে নিন্দা মনে
হুজুর আবার তেমন কে,
তারাও ডাকে শিশুর জন্মে
হুজুর বাবা আজান দে।


  হুজুর যারা খেজুর ভাবিস
নেতা ভাবিস মালিক সাই,
জানাযাতে ডাকিস কেন
নামাজ পড়াও হুজুর ভাই?


মোল্লা যারা বোল্লা ভাবিস
মোল্লা দেখলেই গা জ্বলে,
বাবার দাফন মায়ের কাফন
মোল্লা ছাড়া কই চলে?


মায়ের বিয়ে মোল্লা পড়ায়
পড়িয়ে যাবে চিরকাল,
নইলে যে তুই জারজ পোলা
সবাই মিলেই দেবে গাল।


সব জায়গাতেই মোল্লা লাগে
মোল্লা ছাড়া হয় কি কাম?
তবে কেন মোল্লার পিছে
বাঁশ দিতে আজ ঝরাস ঘাম?


  হুজুর নামি সবাই দামি
আর ভাবিসনে জানের কাল?
তোর মউতেও লাগবে এদের
শুনে রাখ গাঁধার পাল।


মোল্লা আছে মোল্লা থাকবে
বিশ্বের বুকে লক্ষ সাল,
এদেরকে তুই বন্ধু ভাবিস
ভালবাসিস চিরকাল।

মোল্লা দেখলেই চুলকানি-মুহিব খান || ইসলামী সংগীত || শিল্পীঃ আফিয়া জান্নাত

মোল্লা দেখলেই চুলকানি
মোল্লা ছাড়া হয় কি কোরবানী?
—জাগ্রত কবি মুহিব খান


বছর জুড়ে হিংস্র থাবা
মোল্লা দেখলেই চুলকানি,
হাতে ধরে পায়ে পরে
যখন আসে কুরবানি।


হুজুর দেখলেই ভেটকি হেসে
চেটকি মারে যে গাঁধা,
খেটকি মারে বিয়ের বেলায়
মোল্লা কোথায় আয় দাদা।



যারা বলে নিন্দা মনে
হুজুর আবার তেমন কে,
তারাও ডাকে শিশুর জন্মে
হুজুর বাবা আজান দে।


  হুজুর যারা খেজুর ভাবিস
নেতা ভাবিস মালিক সাই,
জানাযাতে ডাকিস কেন
নামাজ পড়াও হুজুর ভাই?


মোল্লা যারা বোল্লা ভাবিস
মোল্লা দেখলেই গা জ্বলে,
বাবার দাফন মায়ের কাফন
মোল্লা ছাড়া কই চলে?


মায়ের বিয়ে মোল্লা পড়ায়
পড়িয়ে যাবে চিরকাল,
নইলে যে তুই জারজ পোলা
সবাই মিলেই দেবে গাল।


সব জায়গাতেই মোল্লা লাগে
মোল্লা ছাড়া হয় কি কাম?
তবে কেন মোল্লার পিছে
বাঁশ দিতে আজ ঝরাস ঘাম?


  হুজুর নামি সবাই দামি
আর ভাবিসনে জানের কাল?
তোর মউতেও লাগবে এদের
শুনে রাখ গাঁধার পাল।


মোল্লা আছে মোল্লা থাকবে
বিশ্বের বুকে লক্ষ সাল,
এদেরকে তুই বন্ধু ভাবিস
ভালবাসিস চিরকাল।

এসো নারী, এসো স্বর্গেরই পথে
নরকেরও পথও ছাড়ি।
ভগ্নী প্রেয়সি ও জননী আমার
চির মহিয়সি নারী । (২ বার)

যেদিকে অশ্লীলতা, নগ্নতা, উগ্রতা
সেদিকে যেওনা যেওনা...
ভুলে ধর্মের ভীতি, ছেড়ে সমাজের নীতি
প্রগতি চেওনা চেওনা...


লাভ কি অযথা ঘুরে, পথে পথে দ্বারে দ্বারে
তুমি যে ঘরের ফুলদানী।
নারী উদাসীন হলে সে ঘরে আগুন জ্বলে
হয়োনা হয়োনা অভিমানী।

তুমি তো মায়ের জাতি, সংসারে চির সাথী
এসে অবদান রাখ তারি। ঐ
 
জীবনে চলার পথে, এসো চলি এক সাথে
মিলে মিশে করি সমঝোতা
আমিও চাই তোমার, চিরায়ত অধিকার
নিরাপত্তার স্বাধীনতা।

পুরুষের অধিকার, সেটাতো নয় তোমার
রয়েছে কিছুটা ভিন্নতা. . . .
যেমন রয়েছে মনে,কন্ঠে,দেহে, গঠনে
আছে চলনের স্বকিয়তা।

ভেবো না পুরুষ জাতি, করেছে তোমার ক্ষতি।
বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি। ঐ

পুরুষেরা নেবে সয়ে,সকল আঘাত গায়ে
নারী রবে চির অক্ষত
পুরুষ চির কঠোর, নারী চির সুমধুর
জলে ভেজা গোলাপের মত...

নারী পুরুষের জোড়ে, দুদিকের চাকা ঘুরে
ছুটে চলে জীবনের গাড়ী
একি মুদ্রার তারা এপিঠ ওপিঠ যেন
পুরুষ দিবস রাত নারী...

অযথা পুরুষ সেজে মেরোনা নিজেকে নিজে
নারী গো তোমার পায়ে পরি। ঐ

★সমাপ্ত★

এলবামঃ "দিন বদলের দিন এসেছে"

এসো নারী এসো - মুহিব খান || ইসলামী সংগীত || শিল্পীঃ আফিয়া জান্নাত

এসো নারী, এসো স্বর্গেরই পথে
নরকেরও পথও ছাড়ি।
ভগ্নী প্রেয়সি ও জননী আমার
চির মহিয়সি নারী । (২ বার)

যেদিকে অশ্লীলতা, নগ্নতা, উগ্রতা
সেদিকে যেওনা যেওনা...
ভুলে ধর্মের ভীতি, ছেড়ে সমাজের নীতি
প্রগতি চেওনা চেওনা...


লাভ কি অযথা ঘুরে, পথে পথে দ্বারে দ্বারে
তুমি যে ঘরের ফুলদানী।
নারী উদাসীন হলে সে ঘরে আগুন জ্বলে
হয়োনা হয়োনা অভিমানী।

তুমি তো মায়ের জাতি, সংসারে চির সাথী
এসে অবদান রাখ তারি। ঐ
 
জীবনে চলার পথে, এসো চলি এক সাথে
মিলে মিশে করি সমঝোতা
আমিও চাই তোমার, চিরায়ত অধিকার
নিরাপত্তার স্বাধীনতা।

পুরুষের অধিকার, সেটাতো নয় তোমার
রয়েছে কিছুটা ভিন্নতা. . . .
যেমন রয়েছে মনে,কন্ঠে,দেহে, গঠনে
আছে চলনের স্বকিয়তা।

ভেবো না পুরুষ জাতি, করেছে তোমার ক্ষতি।
বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি। ঐ

পুরুষেরা নেবে সয়ে,সকল আঘাত গায়ে
নারী রবে চির অক্ষত
পুরুষ চির কঠোর, নারী চির সুমধুর
জলে ভেজা গোলাপের মত...

নারী পুরুষের জোড়ে, দুদিকের চাকা ঘুরে
ছুটে চলে জীবনের গাড়ী
একি মুদ্রার তারা এপিঠ ওপিঠ যেন
পুরুষ দিবস রাত নারী...

অযথা পুরুষ সেজে মেরোনা নিজেকে নিজে
নারী গো তোমার পায়ে পরি। ঐ

★সমাপ্ত★

এলবামঃ "দিন বদলের দিন এসেছে"
আল্লাহ তুমি অপরূপ 
না জানি কতো সুন্দর ! (২)
তোমায় আমি সপেছি প্রাণ,
সপেছি এই অন্তর । ঐ


তোমার আলো ছড়িয়ে পড়ে সুন্দর এই পৃথিবীতে
চাঁদ সুরুজ জেগে উঠে তোমার ডাকে সাড়া দিতে । (২)
তুমি আছো বুকের গভীর, গহিন ভিতর...
..............
আল্লাহ তুমি অপরূপ না জানি কতো সুন্দর
তোমায় আমি সপেছি প্রাণ, সপেছি এই অন্তর (২)
আল্লাহ তুমি অপরূপ....

এই দুনিয়ার মালিক তুমি, তুমি মেহেরবান
বৃক্ষলতা সাগর নদী সবই তোমার দান । (২)
তোমার পথে চলি যেনো সারাটি জীবন ভর...
..............
আল্লাহ তুমি অপরূপ, না জানি কতো সুন্দর
তোমায় আমি সপেছি প্রান সপেছি এই অন্তর... (২)

আল্লাহ তুমি অপরূপ, না জানি কতো সুন্দর || ইসলামিক গজল || শিল্পীঃ আফিয়া জান্নাত

আল্লাহ তুমি অপরূপ 
না জানি কতো সুন্দর ! (২)
তোমায় আমি সপেছি প্রাণ,
সপেছি এই অন্তর । ঐ


তোমার আলো ছড়িয়ে পড়ে সুন্দর এই পৃথিবীতে
চাঁদ সুরুজ জেগে উঠে তোমার ডাকে সাড়া দিতে । (২)
তুমি আছো বুকের গভীর, গহিন ভিতর...
..............
আল্লাহ তুমি অপরূপ না জানি কতো সুন্দর
তোমায় আমি সপেছি প্রাণ, সপেছি এই অন্তর (২)
আল্লাহ তুমি অপরূপ....

এই দুনিয়ার মালিক তুমি, তুমি মেহেরবান
বৃক্ষলতা সাগর নদী সবই তোমার দান । (২)
তোমার পথে চলি যেনো সারাটি জীবন ভর...
..............
আল্লাহ তুমি অপরূপ, না জানি কতো সুন্দর
তোমায় আমি সপেছি প্রান সপেছি এই অন্তর... (২)
দুনিয়া সুন্দর মানুষ সুন্দর
আসমান সুন্দর জমিন সুন্দর
সুন্দরে সুন্দরে পাল্লা
জানিনা কত সুন্দর তুমি আল্লাহ।।

ঝর্ণা ছুটে চলে একেবেকে,
পৃথিবীর পথে কত ছবি একে,
নদীরও কলতানে,
সাগরের গর্জনে।
ঢেউয়ে ঢেউয়ে দেয় পাল্লা।।
 জানিনা কত সুন্দর তুমি আল্লাহ।।

বাগানে ফুঠে ফুল রাশি রাশি,
রাতেরই তাঁরা ভরা চাদের হাসি,
গুন গুন গানে ঢেকে,
মৌমাচি মধু চাকে।
ফুলে ফুলে করে হল্লা।।
জানিনা কত সুন্দর তুমি আল্লাহ।।

দখিনা বাতাস গায়ে পরশ বুলিয়ে
তার টানে পাল তুলে নৌকা চলে
তোমারি নামে মনে
ভাটিয়ালি সুরের তানে
দাড় টেনে যায় মাঝি মাল্লা।।
জানিনা কত সুন্দর তুমি আল্লাহ।।

দুনিয়া সুন্দর মানুষ সুন্দর || ইসলামিক গজল || শিল্পীঃ আফিয়া জান্নাত

দুনিয়া সুন্দর মানুষ সুন্দর
আসমান সুন্দর জমিন সুন্দর
সুন্দরে সুন্দরে পাল্লা
জানিনা কত সুন্দর তুমি আল্লাহ।।

ঝর্ণা ছুটে চলে একেবেকে,
পৃথিবীর পথে কত ছবি একে,
নদীরও কলতানে,
সাগরের গর্জনে।
ঢেউয়ে ঢেউয়ে দেয় পাল্লা।।
 জানিনা কত সুন্দর তুমি আল্লাহ।।

বাগানে ফুঠে ফুল রাশি রাশি,
রাতেরই তাঁরা ভরা চাদের হাসি,
গুন গুন গানে ঢেকে,
মৌমাচি মধু চাকে।
ফুলে ফুলে করে হল্লা।।
জানিনা কত সুন্দর তুমি আল্লাহ।।

দখিনা বাতাস গায়ে পরশ বুলিয়ে
তার টানে পাল তুলে নৌকা চলে
তোমারি নামে মনে
ভাটিয়ালি সুরের তানে
দাড় টেনে যায় মাঝি মাল্লা।।
জানিনা কত সুন্দর তুমি আল্লাহ।।